আমাদের গঠনতন্ত্র

গঠনতন্ত্র

প্ল্যানার্স এন্ড ডিজাইনার্স এসোসিয়েশন ময়মনসিংহ

 ঠিকানা:  ২৩ দূর্গাবাড়ী রোড
 পোঃ+উপজেলা: ময়মনসিংহ সদর,
 জেলা:  ময়মনসিংহ  


গঠনতন্ত্র
ধারা-১   :    নাম: প্ল্যানার্স এন্ড ডিজাইনার্স এসোসিয়েশন ময়মনসিংহ।
ধারা-২   :    প্রতিষ্ঠাকাল: ডিসেম্বর, ২০১৭ইং।
ধারা-৩   :   কার্যালয়: ময়মনসিংহ শহরে পৌর এলাকায় অবস্থিত হইবে। অস্থায়ী কার্যালয়: ২৩নং দুর্গাবাড়ী রোড, ময়মনসিংহ।
ধারা-৪   :    মনোগ্রাম: থাকিবে।
ধারা-৫   :    রেজিস্ট্রেশন: পরবর্ত্তীকালে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ করিতে পারিবে।
ধারা-৬   :    সাংগঠনিক সীমানা: ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ জেলা। অত্র অঞ্চলের সফল পেশাজীবি হিসাবে নূন্যতম ৫(পাচঁ)বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নকসা প্রস্তুতকারক ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান এর সদস্য হইতে পারিবে। তবে অত্র অঞ্চলের সফল পেশাজীবি হিসাবে নূন্যতম ৩(তিন)বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নক্সা প্রস্তুতকারক ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান এর এসোসিয়েট সদস্য হইতে পারিবে।
ধারা-৭   :    উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য: বাংলাদেশের কারিগরী শিক্ষায় শিক্ষিত অনেক কর্মপ্রত্যাশী আছেন। তাদের যথোপোযুক্ত সরকারী বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে যতদিন কোন কর্মসংস্থান না হয় ততদিন বেসরকারী পর্যায়ে  ভৌত অবকাঠামো নির্মানে বিভিন্ন নক্সা প্রস্তুতকরণে পেশাজীবি হিসাবে সেবা প্রদান করা। পেশাজীবি হিসাবে যে সকল ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান বর্তমানে নিয়োজিত আছেন, তাদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করা। সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের নক্সা প্রস্তুত করণে অনৈতিক ও বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং  যথোপযুক্ত উদ্দ্যেগ গ্রহন সেইসাথে প্রযুক্তিগত উন্নয়নে সর্বত্র নিয়োজিত থাকা।
ধারা-৮   :    সদস্য পদ:
(ক)    ময়মনসিংহ জেলার ৬নং ধারার আলোকে নক্সা প্রস্তুতকারক ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান অত্র সমিতির প্রাথমিক সদস্য হইতে পারিবে।
(খ)    অত্র সমিতির সদস্যপদ গ্রহণ করার জন্য সমিতির অনুমোদিত ফর্মে আবেদন করিতে হইবে এবং সমিতির অনুমোদন লাভের পর ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা ফি এবং এক মাসের ১০০/- (একশত) টাকা চাঁদা প্রদান করিয়া সদস্য পদ লইতে হইবে এবং নিয়মিত মাসিক ১০০/- (একশত) টাকা হারে চাঁদা প্রদান করিতে হইবে।
(গ)    সদস্যদের কর্তব্য, কর্মসূচীর অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন করা: এসোসিয়েশন কতৃক অত্র সিদ্ধান্তসমূহ কার্য্যকর করা গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলি মেনে পরিষদের বৈঠক ও সভা সমাবেশে যোগদান করা। একক ও যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনায় অংশগ্রহণ করা। সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে আত্ম নিয়োগ করা। সেই সঙ্গে সর্বক্ষেত্রে সহনশীল মানসিকতা, সততা, উচ্চ নৈতিকতা, দেশ প্রেম ও মানুষের প্রতি ভালবাসা এই সব গুণাবলী অর্জনে সর্বদা যতœবান থাকা।
(ঘ)    সদস্যদের অধিকার: সকল সদস্যগণ নিজ নিজ পেশার বিভিন্ন সমস্যাবলী ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত সমিতির নিয়মিত সভায় উপস্থাপন করিতে পারিবেন। বিভিন্ন পর্যায়ে কোন অনিয়ম রোধ কল্পে সম্মিলিত উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা গ্রহণে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা। অত্র সমিতির কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে সক্রীয় অংশ গ্রহণ করা ও নির্বাচিত হওয়ায়। আহুত বিভিন্ন সভায় উপস্থিত থাকিয়া স্বাধীনভাবে মত বিনিময় করা এবং সভায় প্রস্তাব, বক্তব্য ও সুপারিশ প্রদান করা।
(ঙ)    সদস্যদের শৃংখলা: সংগঠনের লক্ষ্য, আদর্শ, গঠনতন্ত্র ও কর্মসূচীর পরিপন্থী অথবা কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে কোন কাজ শৃংখলা ভঙ্গ হিসাবে গণ্য হবে। এই ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে কারণ দর্শানো এবং স্বপক্ষে সমর্থনের সুযোগ দিতে হইবে। সাংগঠনিক শৃংখলা ভঙ্গের কারণে কোন সদস্য অভিযুক্ত হইলে অত্র সমিতির কার্যকরি পরিষদের মাধ্যমে যথাযথ শুনানী গ্রহণের পর ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন। উক্ত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অভিযুক্ত সদস্য সাধারণ পরিষদে আপীল করিতে পারিবেন এবং সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
(চ)    সদস্য পদ পুনঃ বহাল: উপযুকত্ কারন দর্শায়ে সভাপতি বরাবরে সদস্যপদ পুনর্বহালের আবেদন করার পর কার্যকরী পরিষদ এর অনুমোদনক্রমে পুনঃ সদস্যপদ দেওয়া যাইতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই যাবতীয় বকেয়া পরিশোধ করিতে হইবে।
 
ধারা-৯   :   সাংগঠনিক কাঠামো:
(ক)    উপদেষ্টা পরিষদ: উপদেষ্টা পরিষদে সর্বোচ্চ ১১ (এগার) জন সম্মানিত সদস্য নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হইবে। কার্যকরী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদ নিয়োগ দিবেন এবং মেয়াদ হবে ০২ (দুই) বৎসর। উপদেষ্টা পরিষদ কার্যকরী পরিষদকে যে কোন সমস্যা সমাধানের উপদেশ দিবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুরোধে উপদেষ্টাগণের মধ্যে যে কেউ কার্যকরী পরিষদের সভায় অংশগ্রণ করিতে পারিবেন। কোন উপদেষ্টার যদি প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিল হয় তবে তার উপদেষ্টার পদও সাথে সাথে বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
(খ)    সাধারণ পরিষদ: সকল নিয়মিত চাঁদা দাতা সদস্যগণের সমন্বয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হইবে।
(গ)    কার্য্যনির্বাহী পরিষদ: সাধারণ পরিষদের সদস্যদে মধ্য হইতে নির্বাচনের মাধ্যমে অথবা ঐকমতের ভিত্তিতে ২১(একুশ)সদস্য বিশিষ্ট কার্য্যকরি পরিষদ গঠিত হইবে।
    কার্যকরী পরিষদ নিম্নরূপ গঠিত হইবে:-
    সভাপতি    - ১ জন    দপ্তর সম্পাদক    - ১ জন
    সহ-সভাপতি    - ৩ জন    প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক    - ১ জন
    সাধারণ সম্পাদক    - ১ জন    কারিগরি বিষয়ক সম্পাদক    - ১ জন
    সহ-সাধারণ সম্পাদক    - ২ জন    সাংস্কৃতিক সম্পাদক    - ১ জন
    কোষাধ্যক্ষ    - ১ জন    সমাজকল্যাণ সম্পাদক    - ১ জন
    সাংগঠনিক সম্পাদক    - ১ জন    সদস্য    - ৭ জন
মোট    - ২১ জন
ধারা-১০   :    নির্বাচন:
(ক)    কার্য্যকরি পরিষদের মেয়াদ ২ (দুই) বৎসর হইবে। প্রথম পরিষদ আগামী ২০১৮ হইতে শুরু হইবে এবং পরবর্ত্তী ২০১৯ ডিসেম্বর মাসে শেষ হইবে। পরবর্ত্তী মেয়াদ জানুয়ারি মাস হইতে শুরু হইবে এবং দ্বিতীয় বৎসরে ডিসেম্বর মাসে শেষ হইবে।  পরবর্তী কমিটি গঠন না হওয়াা পর্যন্ত উক্ত কমিটি দায়িত্ব পালন করিবে।
(খ)    চলতি কার্য্যকরি পরিষদ ২ (দুই) বৎসর অন্তর জানুয়ারি মাসে পরবর্তী কার্য্যকরি পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করিবেন এবং কমপক্ষে ৬০ (ষাট) দিন পূর্বে সদস্যদের নোটিশ মারফত জ্ঞাত করাইবেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করিতে হইবে।
(গ)    কার্য্যকরি পরিষদ ৩(তিন) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচনী বোর্ড গঠন করিবেন। যাহারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিবেন না সাধারণ পরিষদের এমন সদস্যগণের মধ্য হইতে নির্বাচনী বোর্ড গঠিত হইবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচনী বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
(ঘ)    কোন কারণে নতুন কমিটি গঠন হতে বিলম্ব হলে বিশেষ প্রয়োজনে সাধারণ সভার মাধ্যমে উক্ত কমিটির দায়িত্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পূনঃ বহাল করা হবে।
(ঙ)    নির্বাচনী বোর্ড কার্য্যকরি পরিষদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ভোটার তালিকা ও নির্বাচন সিডিউল প্রকাশ করিবেন।
(চ)    কোন সদস্যের চাঁদা বাকী থাকিলে তিনি ভোটার হইতে পারিবেন না। নির্বাচনের ৯০(নব্বই) দিন পূর্বে সদস্য না হইলে ভোটার হইতে পারিবেন না।
(ছ)    সকল নির্বাচনই গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হইবে অথবা ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা যাইবে।
(জ)    নির্বাচনের দিনই ফলাফল ঘোষণা করা হইবে।
(ঝ)    নির্বাচনে অংশ গ্রহণেচ্ছু প্রার্থীগণ সমিতির অফিস হইতে ছাপানো নির্ধারিত ফিস জমা দিয়ে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করিয়া নির্ধারিত তারিখে সমিতির কার্য্যালয়ে নির্বাচনী বোর্ডের নিকট জমা দিবেন।
(ঞ)    ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের সদস্য সমিতির মনোনীত প্রতিনিধি ভোটার হইতে পারিবেন, ভোট দিতে পারিবেন কিন্তু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন না।
(ট)    নির্বাচন কমিটি কর্তৃক দেওয়া পরিচয় পত্রের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হইবে। পরিচয়পত্র জমা দিয়া ভোটারগণ ব্যালট পেপার সংগ্রহ করিবেন এবং ভোট প্রদান করিবেন।
(ঠ)    নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার ১৫(পনের) দিনের মধ্যে নব নির্বাচিত কার্য্যকরি পরিষদ পূর্ববর্তী কার্যকরী পরিষদের নিকট হইতে দায়িত্ব বুঝিয়া নিবেন।
(ড)    যে কোন কারণে কার্য্যকরী পরিষদের সদস্য পদ শূণ্য হইলে কার্য্যকরী পরিষদ সাধারণ পরিষদের সদস্যদের মধ্য হইতে সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে শূণ্য পদে কো-অপ্ট করিতে পারিবেন।

ধারা-১১   :    কার্যকরি পরিষদের সদস্যদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব:
সভাপতি: সাধারণ পরিষদ এবং কার্য্যকরি পরিষদের সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করিবেন। তাহার প্রয়োজন অনুসারে সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে সভা আহবান করাইতে পারিবেন ও কোন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সমান সংখ্যক ভোট হইলে তিনি একটি অতিরিক্ত ভোট দিয়া সমাধান করিবেন। তিনি প্রতিটি সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং প্রত্যেক বিভাগের কাজ তদারকি ও পরামর্শ প্রদান করিবেন। বিভিন্ন ফোরামে সমিতির প্রতিনিধিত্ব করিবেন। জরুরী পরিস্থিতিতে তিনি ৩/৪ ঘন্টার নোটিশে কার্যকরী পরিষদের সভা আহবান করিতে পারিবেন। সভায় উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন, প্রয়োজনে উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ গ্রহণ করিতে পারিবেন। নির্বাচন কমিশনের অনুপস্থিতিতে তিনি কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাইতে পারিবেন। কার্যকরী পরিষদের সাথে পরামর্শ করে সমিতির সাথে সম্পাদিত যে কোন চুক্তিতে স্বাক্ষর দান করিবেন। সমিতির যাবতীয় কাজকর্মের তত্ত্বাবধান করিবেন।
সহ-সভাপতি: সভাপতি সাহেবকে সংগঠন পরিচালনায় সহ-সভাপতি সহযোগিতা প্রদান করিবেন। সভাপতি সাহেবের অনুপস্থিতিতে ক্রমানুসারে সহ-সভাপতি সভাপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।
সাধারণ সম্পাদক: কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভা, সমাবেশ এবং সংগঠনের অন্যান্য অনুষ্ঠান সভাপতি সাহেবের অনুমোদনক্রমে আহবান করিবেন। সভা আহবানের দিন তারিখ উল্লেখ করিয়া এজেন্ডা প্রদান করত: কার্য্যকরি পরিষদের সদস্যের স্বাক্ষর লইবেন। সাধারণ সম্পাদক প্রতিটি সভার আলোচনা ও সিদ্ধান্তসমূহ লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ করিবেন। যাহাতে সকল উপস্থিত সদস্যের স্বাক্ষর থাকিবে এবং সিদ্ধান্তসমূহ পরিবর্তী মিটিং এ উপস্থাপন করে অনুমোদন গ্রহণ করিবেন। তিনি সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সার্বিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকিবেন। বার্ষিক সাধারণ সভায় সমিতির বিগত সময়ের বিভিন্ন কার্য্যাবলী সহ আর্থিক প্রতিবেদন আর্থিক অনুমোদিত প্রতিবেদন পেশ করিবেন। তিনি এসোসিয়েশনের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করবেন।
সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাধারণ সম্পাদককে সংগঠন পরিচালনায় সহ-সাধারণ সম্পাদক সহযোগিতা প্রদান করিবেন। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে ক্রমানুসারে সহ-সাধারণ সম্পাদক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন।
কোষাধ্যক্ষ: কোষাধ্যক্ষ যাবতীয় অর্থ সংগ্রহ করিবেন এবং সংগৃহীত অর্থ ২৪ ঘন্টার মধ্যে ব্যাংকে জমা দিয়া জমার রশিদ সাধারণ সম্পাদক সাহেবকে অবহিত করিবেন। ঐ সময়ে ব্যাংক বন্ধ থাকিলে সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শ মোতাবেক কাজ করিবেন। কোষাধ্যক্ষ সংগঠনের উপস্থিত ব্যয় মিটানোর জন্য সর্বোচ্চ ১০০০/- (এক হাজার) টাকা হাতে রাখিতে পারিবেন। এ ছাড়া সকল ব্যয়ের ক্ষেত্রে কার্য্যকরি পরিষদের সভার অনুমোদন সাপেক্ষে ব্যয় নির্বাহ করিতে হইবে। তহবিল সংরক্ষণের দায়-দায়িত্ব ও হিসাব-নিকাশ প্রদানের ব্যাপারে কোষাধ্যক্ষ দায়িত্ব পালন করিবেন।
অন্যান্য সম্পাদক মন্ডলী: সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক এবং প্রচার সম্পাদক, আইন সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক স্ব স্ব বিভাগের দায়িত্ব পালন করিবেন এবং জবাবদিহীতাসহ সংগঠন পরিচালনায় উদ্যোগী হইবে।
সদস্য: সদস্যগণ সংগঠনের কর্মসূচী বাস্তবায়নে সহযোগিতা করিবেন এবং গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলী মেনে পরিষদের বৈঠক ও সভা সমাবেশে যোগদান করিয়া আলোচনায় অংশগ্রহণ করিয়া মতামত ব্যক্ত করিবেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন।

ধারা-১২   :    সাংগঠনিক নীতিমালা: পারস্পরিক আলোচনা ও মত বিনিময়ের মাধ্যমে ঐক্যমতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। প্রয়োজনে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
কার্যকরী পরিষদের সদস্যপদ বাতিল:

(১)  নিম্নলিখিত কারণে কার্যকরী পরিষদের যে কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হইয়া যাইতে পারে ঃ-
(ক)    ৮নং ধারার (ঙ) ধারা তাহার প্রতি প্রযোজ্য হইলে।
(খ)    অর্পিত দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য প্রদর্শন করিলে।
(গ)    পদত্যাগ করিলে।
(ঘ)    পাগল বা আদালতে দন্ড প্রাপ্ত হইলে।
(২)    কোন সদস্য দোষী প্রমাণিত হইলে সভাপতি অথবা কার্য্যকরী পরিষদ কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাকে কারন দর্শাও নোটিশ প্রদান করিলে ২(দুই) সপ্তাহের মধ্যে ঐ সদস্য সন্তোষজনক জবাব প্রদানে ব্যর্থ হইলে কার্য্যকরী পরিষদের অধিকাংশ সদস্যের মতামত অনুযায়ী তার পদ বাতিল করা যাইবে। উক্ত সদস্য নির্বাচন বা মনোনয়ন ব্যতীত কার্য্যকরী পরিষদে পুনরায় ফিরিয়া আসিতে পারিবেন না।

ধারা-১৩   :    সভা আহবান বিধি:
(ক)    সাধারণ সভা বৎসরে কম পক্ষে দুই বার অনুষ্ঠিত হইবে।
(খ)    সাধারণ সভা কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টার নোটিশে আহবান করিতে হইবে।
(গ)    জরুরী সভা কমপক্ষে ২৪ ঘন্টার নোটিশে হইতে হইবে।
(ঘ)    কার্য্যকরি পরিষদের সভা কমপক্ষে ৬০ দিনে এক বার আহবান করিতে হইবে।
(ঙ)    কার্য্যকরি পরিষদের যে কোন জরুরী সভা ১২ ঘন্টার নোটিশে আহবান করিতে হইবে এবং অতি জরুরী বিষয়ে সিদ্ধান্তের ব্যাপারে মৌখিক অথবা টেলিফোনে যোগাযোগ করে ৩/৪ ঘন্টার নোটিশে সভা আহবান করিতে পারিবেন।
(চ)    কার্য্যকরি পরিষদের সভা মুলতবী হইলে অবশ্যই তিন দিনের মধ্যে এবং সাধারণ পরিষদের সভা মুলতবী হইলে তাহা সাত দিনের মধ্যে পুনরায় অনুষ্ঠিত হইবে। উক্ত মুলতবী সভায় কোন কোরাম প্রয়োজন হইবে না।
(ছ)    কার্য্যকরি পরিষদের যে কোন দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের স্বাক্ষরে কার্য্যকরি পরিষদের তলবী সভা আহবান করা যাইবে।

ধারা-১৪    :    কোরাম: সাধারণ পরিষদ এবং কার্য্যকরি পরিষদের সভায় এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হইবে।

ধারা-১৫   :    ব্যাংক হিসাব রক্ষণাবেক্ষন, তহবিল এবং অডিট:
(ক)    ব্যাংক হিসাব রক্ষণাবেক্ষন: ময়মনসিংহ প্লোনার্স এন্ড ডিজাইনারস এসোসিয়েশন এর নামে এক বা একাধিক তফশীলি ব্যাংকে চলতি এবং সঞ্চয়ী হিসাব খোলা যাইবে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ এর যৌথ স্বাক্ষরে একাউন্ট হিসাব খোলা হইবে। উক্ত ৩(তিন) জনের মধ্যে যে কোন ২(দুই) জনের স্বাক্ষরে ব্যাংক হইতে টাকা উত্তোলন করিতে পারিবে।
(খ)    তহবিল: সকল সদস্যগণ তহবিল গঠনে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাইবেন। কার্য্যকরি পরিষদ সদস্য, সমিতির মাসিক চাঁদা এবং সাংগঠনিক অনুমোদনের চাঁদা সহ দান ও অনুদান হইতে তহবিল গঠিত হইবে। সমস্ত অর্থ ছাপানো রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করা হইবে। দাতার নাম, ঠিকানা এবং চাঁদার পরিমাণ সুস্পষ্ট ভাবে লিখিত থাকিতে হইবে। আদায়কারী ও কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষর রশিদে থাকিতে হইবে। প্রয়োজনে বিশেষ চাঁদা আদায় করা যাইবে।
(গ)    অডিট: দুই বৎসর পর কার্য্যকরি পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত উক্ত গত ২(দুই) বৎসরের একটি অডিট রিপোর্ট কার্য্যকরি পরিষদ সাধারণ পরিষদের সভায় উপস্থাপন করিবেন।

ধারা-১৬   :    কর্মচারী নিয়োগ বিধি: কার্য্যকরি পরিষদ প্রয়োজনে কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারিবেন।

ধারা-১৭   :    গঠনতন্ত্র সংশোধন ও বিয়োজন বিধি: সাধারণ পরিষদের সভায় গঠনতন্ত্রের সংশোধন এবং সংযোজন করা যাইবে। সাধারণ পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদনক্রমে গঠনতন্ত্রের সংশোধনী গৃহীত হইবে।

ধারা-১৮   :    সংগঠন বিলুপ্ত বিধি: যদি কোন কারণে অত্র সংগঠনের বিলুপ্তি ঘটাতে হয় তবে সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবনাক্রমে কার্য্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সংগঠন বিলুপ্ত করা যাইবে। এই ক্ষেত্রে সংগঠনের স্থাবর অস্থাবর সকল সম্পদ ও অর্থ জনসাধারণের কল্যানার্থে ব্যবহারের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত থাকিতে হইবে।

ধারা-১৯   :    কার্য্যকরী কমিটির যে কোন কর্মকর্তা বা সদস্যের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাইতে পারে। এক্ষেত্রে যার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হইবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ আনিতে হইবে এবং কার্য্যকরী কমিটির সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের লিখিত সমর্থন থাকিতে হইবে। উক্ত আনীত অনাস্থা প্রস্তাবের উপর উপদেষ্টা ও কার্য্যকরী কমিটির যৌথ সভায় আলোচনা ও শুনানী ব্যবস্থা করে সিদ্ধান্ত নিতে হইবে। যদি উক্ত বিষয়ে লিখিত সময়ের নোটিশে কার্য্যকরী কমিটি সভা আহবান করিতে ব্যর্থ হন তবে গঠনতন্ত্রের ১৩(ছ) অনুচ্ছেদের আলোকে তলবী সভা আহবান করিয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া যাইবে।

ধারা-২০   :    পরিষদের কার্য্যকরি কমিটি অথবা উপদেষ্টা পরিষদের কেহ ইন্তেকাল/পরলোক গমন করেন তবে পরিষদ উক্ত মৃত ব্যক্তির জন্য শোক প্রস্তাব গ্রহণ, তার সমিতির নিকট শোক প্রস্তাব সম্বলীত চিঠি প্রদান করিবে।